জুলাই-আগস্টের আন্দোলন ঘিরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ ৪ আগস্ট যুক্তিতর্ক শুরু হওয়ার কথা ছিল।

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ কার্যক্রম নির্ধারিত হয়।

নির্ধারিত ক্রমে রাষ্ট্রপক্ষ আগে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করবে, পরে আসামিপক্ষের বক্তব্য দেওয়ার কথা।

২ আগস্ট তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ২৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের মধ্য দিয়ে মামলাটির সাক্ষ্যপর্ব শেষ হয়।

ট্রাইব্যুনাল-২ চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়।

এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষের দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়।

অন্য আসামিরা হলেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান নিখিল, সাদ্দাম হোসেন ও ওয়ালি আসিফ ইনান।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগে বলা হয়েছে, আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিত নির্দেশনা ও প্ররোচনামূলক বক্তব্য দিয়েছেন এবং নেতাকর্মীদের রাজপথে নামতে আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষ আরও অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা, সশস্ত্র হামলা ও দমন-পীড়নে ভূমিকার পাশাপাশি গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা ছিল আসামিদের।

প্রসিকিউশনের দাবি, এসব অভিযোগিত কর্মকাণ্ডের পর দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা ঘটে; তারা ঘটনাগুলোকে মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতাভুক্ত বলে দাবি করেছে।

সাত আসামিই পলাতক বলে আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।