নবম জাতীয় পে-স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকরের ঘোষণা থাকলেও ২ আগস্ট পর্যন্ত এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।

এ কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আপাতত পুরোনো বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন।

অর্থ বিভাগ বলেছে, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রজ্ঞাপন জারি হলে জুলাই থেকে প্রাপ্য অতিরিক্ত অর্থ একসঙ্গে বকেয়া হিসেবে পরিশোধ করা হবে।

নতুন বেতন কাঠামো চালুর আগে মন্ত্রিসভার অনুমোদন, খাতভিত্তিক আদেশ, আইনগত যাচাই, এসআরও নম্বর এবং সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন প্রকাশের ধাপ রয়েছে।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নবম বেতন কমিশনের সুপারিশ নিয়ে কাজ চলছে এবং তা শেষ হলে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির কার্যক্রম শুরু হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেছেন, নতুন বেতনকাঠামো কার্যকরের সঙ্গে আইএমএফের ঋণের কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে আইএমএফ রাজস্ব ঘাটতি ও সরকারি ব্যয়ের চাপের প্রেক্ষাপটে নতুন পে-স্কেল অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বেতন কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা, সচিব কমিটির সুপারিশ এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের মতো আরও ধাপ রয়েছে।

প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে এবং বকেয়া পরিশোধের নির্দিষ্ট তারিখ বা পদ্ধতি এখনো জানানো হয়নি।