দুবাইয়ে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের মুক্তির দাবির আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ ২ আগস্ট পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
পুলিশ সদর দপ্তরের মুখপাত্র শাহাদাত হোসেন বলেন, দুবাই পুলিশের পক্ষ থেকে বেনজীরের মুক্তি বা ছাড়া পাওয়ার বিষয়ে তাঁদের কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য দেওয়া হয়নি।
পুলিশ সদর দপ্তর জানিয়েছে, দুবাই কর্তৃপক্ষ বা ইন্টারপোলের কাছ থেকেও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য আসেনি।
দুদকের মহাপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী বলেন, মুক্তি বিষয়ে সংস্থাটির কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা কাগজপত্র পৌঁছায়নি।
তিনি বলেন, মুক্তি হয়ে থাকলে তা কোন আইনি প্রক্রিয়ায় বা কী ভিত্তিতে হয়েছে, সে বিষয়ে দুদক জানে না।
জয়নুল আবেদীন বলেন, পরিস্থিতিতে আইনগতভাবে যা প্রয়োজন হবে, দুদক তা করবে।
দুদকের ভাষ্য, পারস্পরিক আইনি সহায়তার অনুরোধ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয় এবং সেখান থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়।
বাংলাদেশ পুলিশ আগে জানিয়েছিল, দুদকের একটি মামলায় ইন্টারপোলের সহযোগিতায় দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছিল।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোর ১২ জুনের চিঠিতে বাংলাদেশকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলে প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক আবেদন পাঠাতে বলা হয়েছিল।
দুদক ১৬ জুন ইংরেজি ও আরবি ভাষায় প্রত্যর্পণ প্রস্তাবনা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।
২০২৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি আদালত ইন্টারপোলের মাধ্যমে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের আদেশ দেন।
দুদক ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর বেনজীর আহমেদ, তাঁর স্ত্রী জীশান মীর্জা ও দুই মেয়ের বিরুদ্ধে পৃথক চারটি মামলা করে।
এসব মামলায় বেনজীরের বিরুদ্ধে ৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং ২ কোটি ৬২ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বেনজীর আহমেদ ২০২০ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশের মহাপরিদর্শক ছিলেন।