ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলমের আদালত সাবেক যুগ্ম সচিব সৈয়দ জগলুল পাশাকে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।
গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসার সামনে বালুভর্তি ট্রাক রেখে চলাচলে বাধা এবং পেপার স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগে করা মামলায় বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন জগলুল পাশার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন।
আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিলের আবেদন করে, আর রাষ্ট্রপক্ষ তার বিরোধিতা করে; শুনানি শেষে আদালত সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে জগলুল পাশাকে মামলার ১৭ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি বলা হয়েছে।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মামলার বিষয়ে তথ্য উদ্ঘাটন এবং অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে সহায়তা হতে পারে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ২০১৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর জগলুল পাশাসহ ১১১ জন নামীয় ও ২৫০ থেকে ৩০০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি খালেদা জিয়ার গুলশানের বাসার সামনে অবস্থান নেন।
এজাহারে তাঁদের বিরুদ্ধে বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের মারধর, রাস্তা বন্ধ এবং জনচলাচলে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
এজাহার অনুসারে, ২৯ ডিসেম্বর সকাল ৯টায় সমাবেশে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে খালেদা জিয়ার পথ বালুর ট্রাকসহ বিভিন্ন ট্রাক দিয়ে আটকে দেওয়া হয়।
এজাহারে হত্যার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ পেপার স্প্রে ব্যবহারের অভিযোগ করা হয়েছে এবং এতে খালেদা জিয়াসহ তাঁর সঙ্গে থাকা নেতা-কর্মীরা আহত হন বলে দাবি করা হয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শরীফুল ইসলাম শাওন ২০২৪ সালের অক্টোবরে গুলশান থানায় মামলাটি করেন।
জগলুল পাশাকে ৪ আগস্ট রাত দেড়টার দিকে বসুন্ধরার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
আদালতের রিমান্ড আদেশ অভিযোগের সত্যতা বা ফৌজদারি দায় নির্ধারণ করে না; অভিযোগগুলো তদন্ত ও পরবর্তী বিচারিক প্রক্রিয়ায় যাচাইয়ের বিষয়।