৬ আগস্ট বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিলেট মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আবু উবায়দা শিশু ফাহিমা আক্তার হত্যা মামলায় প্রধান আসামি জাকির হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর বদরুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন, একই রায়ে জাকিরের দুই ভাই জয়নাল আবেদিন ও মো. আবুল কালামকে খালাস দেওয়া হয়েছে, কারণ আদালত তাদের সংশ্লিষ্টতা পাননি।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, ৭ মে প্রতিবেশী জাকির চার বছর বয়সী ফাহিমাকে সিগারেট আনতে পাঠানোর অজুহাতে ঘরে আটকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করে; পরে মরদেহ সুটকেসে রেখে বাদাঘাট এলাকার ডোবায় ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এ ঘটনায় ৮ মে জালালাবাদ থানায় মামলা হয়; গ্রেপ্তারের পর জাকির পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করেন এবং ঘটনার ৩৩ দিন পর তাকে ও তার দুই ভাইকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল হয়।
একই দিন কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম আদালত) মোহাম্মদ সুলতান উদ্দীন প্রধান লাকসামের সাইফুল ইসলাম সোহান হত্যা মামলায় মিজানুর রহমান হাজারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত মিজানুরের ছেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেন।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৮ এপ্রিল টাকা লেনদেনের বিরোধের জেরে ধারালো দা দিয়ে সোহানকে কুপিয়ে জখমের পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়; নিহতের বাবা রুহুল আমিন ২৬ এপ্রিল পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।