রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে, ২০২০ থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত ঢাকায় ১ হাজার ৮৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১ হাজার ৩৮৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৪৮৮ জন আহত হয়েছেন।
সংস্থাটি রাজধানীর ওই সাড়ে ছয় বছরের দুর্ঘটনাবিষয়ক পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
তাদের হিসাবে নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৩৪ জন পুরুষ, ২১৯ জন নারী এবং ১৩১ জন শিশু।
নিহতদের মধ্যে পথচারী ৫৯২ জন, যা মোট মৃত্যুর ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশ; মোটরসাইকেল আরোহী ৫৩৬ জন বা ৩৮ দশমিক ৭২ শতাংশ।
বাস, রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য যানের চালক-যাত্রী মিলিয়ে নিহত ২৫৬ জন বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।
বছরভিত্তিক হিসাবে ২০২০ সালে ১২৪টি দুর্ঘটনা ঘটলেও ২০২৫ সালে তা ৪০৭টিতে ওঠে।
২০২৩ সালে ২৯৬টি দুর্ঘটনায় ২৮৯ জন নিহত হন, যা এই সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রাণহানি বলে সংস্থাটি উল্লেখ করেছে।
২০২৪ ও ২০২৫ সালে দুর্ঘটনার সংখ্যা বাড়লেও প্রাণহানি কিছুটা কমেছে; তবে ২০২৫ সালে আহতের সংখ্যা ৫১১ জনে পৌঁছায়।
২০২৬ সালের প্রথম সাত মাসে ২৩৩টি দুর্ঘটনায় ১৩৭ জন নিহত ও ৩৫৬ জন আহত হওয়ার কথা জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।
সংস্থাটির হিসাবে দুর্ঘটনায় জড়িত যানবাহনের মধ্যে ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ, ট্যাংকলরি ও ময়লাবাহী ট্রাকের অংশ ৩৩ দশমিক ২৫ শতাংশ, আর মোটরসাইকেলের অংশ ২৬ শতাংশ।
রাতে দুর্ঘটনায় ৫১৯ জন নিহত হয়েছেন বলে সংস্থাটি জানিয়েছে, যা তাদের সময়ভিত্তিক হিসাবের সর্বোচ্চ সংখ্যা।
যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মোহাম্মদপুর, কুড়িল বিশ্বরোড ও বিমানবন্দর সড়ককে দুর্ঘটনাপ্রবণ হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করেছে সংস্থাটি।
সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান রুট রেশনালাইজেশনের মাধ্যমে কোম্পানিভিত্তিক বাসসেবা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।