আর্থিক পরিষেবা সংস্থা Equirus-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনে ভারতীয় বিমান সংস্থাগুলির আন্তর্জাতিক যাত্রী সংখ্যা প্রায় ২৪ লাখে পৌঁছেছে, যা মে মাসের তুলনায় ৪ শতাংশ বেশি, তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এখনও কিছুটা কম।

ওই মাসে আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা ৬ শতাংশ বেড়েছে, অথচ মোট আসনসংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত ছিল; এতে আগের কয়েক মাসের বিঘ্ন কাটিয়ে পরিষেবা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বলে Equirus উল্লেখ করেছে।

অভ্যন্তরীণ বিমানে জুনে প্রায় ১ কোটি ৩৫ লাখ যাত্রী ভ্রমণ করেছে, যা গত বছরের তুলনায় ১ শতাংশ এবং মে মাসের তুলনায় ১২ শতাংশ কম; এই পতনকে Equirus মৌসুমি প্রবণতা হিসেবে দেখছে।

যাত্রী সংখ্যা কমলেও আসনপূরণের হার (PLF) ছিল ৮৫.৭ শতাংশ, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১৮ বেসিস পয়েন্ট বেশি।

Revenue Passenger Kilometres (RPK) প্রায় ১৩.৩ বিলিয়নে স্থির ছিল, আর Available Seat Kilometres (ASK) ২ শতাংশ কমেছে, কারণ সংস্থাগুলো চাহিদার সঙ্গে আসন সরবরাহ সামঞ্জস্য করেছে।

Equirus-এর হিসাবে, জুলাইয়ে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের গড় দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ৮৭.৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের ও আগের মাসের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ বেশি; সিঙ্গাপুর জেট ফুয়েলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১৫৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা এক বছর আগের চেয়ে ৭১ শতাংশ বেশি।

একই সময়ে ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্য প্রায় ৯৫.৪-এ নেমে আসায় লিজ, রক্ষণাবেক্ষণ ও ডলার-নির্ভর পরিচালন ব্যয় বেড়েছে বলে ওই হিসাবে জানানো হয়েছে।

Equirus বলছে, জ্বালানি ও মুদ্রার চাপ আগামী মাসগুলোতে বিমান সংস্থাগুলোর লাভজনকতার ওপর চাপ ফেলতে পারে, তবে দক্ষ সক্ষমতা ব্যবস্থাপনা ও চাহিদা ধরে রাখা গেলে পরিচালনায় স্থিতিশীলতা সম্ভব।