দুই মার্কিন কর্মকর্তা ও বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান শনিবার ফোনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানে বড় ধরনের নতুন সামরিক হামলা না চালানোর আহ্বান জানান।

তাঁরা বলেন, যুবরাজ সম্ভাব্য হামলা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে উত্তেজনা না বাড়ানোর অনুরোধ করেন।

ওই সূত্রগুলোর ভাষ্য, জর্ডানে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধার প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প ইরানের জ্বালানি-সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় হামলার বিষয়টি বিবেচনা করছিলেন।

তবে ট্রাম্প এ বিষয়ে চূড়ান্ত কোনো নির্দেশ দেননি বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউস এবং ওয়াশিংটনে সৌদি দূতাবাস এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

এর আগে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন; তিনি সৌদি আরবের উত্তেজনা প্রশমনের অবস্থানের কথা তুলে ধরেন।

এদিকে হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় নাজরান বিমানবন্দরের একটি সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুতে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।

গোষ্ঠীটির সামরিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুরে হামলাটি চালানো হয় এবং ড্রোনটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

হুথিরা সাদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমায় সৌদি ড্রোন তৎপরতার অভিযোগ তুলে হামলাটিকে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

হামলায় ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো নির্দিষ্ট ও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের শত্রুতামূলক পদক্ষেপে কিংবা তাতে আঞ্চলিক দেশের সহযোগিতায় ইরানের সশস্ত্র বাহিনী উপযুক্ত জবাব দেবে।

কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করা নিয়ে ইরানি, মার্কিন ও ওমানি পক্ষের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করেছেন; একটি সূত্র অগ্রগতির কথা বললেও সংকট নিরসন হবে কি না, তা অনিশ্চিত।