বেসরকারি স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বদলির জন্য স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারভিত্তিক কার্যক্রম চালুর কথা নীতিমালায় বলা হয়েছে।
নীতিমালাটি এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল-কলেজ শিক্ষকদের জন্য প্রযোজ্য।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর নির্ধারিত সময়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করবে এবং অনলাইনেই আবেদন নেওয়া হবে।
প্রথম নিয়োগের পর টানা দুই বছর কর্মরত থাকলে শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন।
বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার পর আবার আবেদন করতে চাইলে সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কাজ করতে হবে।
চাকরিজীবনে একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।
আবেদনকারী আগে নিজ জেলার শূন্য পদে আবেদন করতে পারবেন; সেখানে পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় আবেদন করা যাবে।
বিশেষ ক্ষেত্রে দেশের যেকোনো জেলা বা স্বামী কিংবা স্ত্রীর কর্মস্থল-সংক্রান্ত জেলায় বদলির আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
একটি পদে একাধিক আবেদন পড়লে নারী প্রার্থী, কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার নির্ধারিত হবে।
একটি প্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকারভিত্তিতে বদলি হতে পারবেন, তবে একই বিষয়ে একজনের বেশি নন।
আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি পছন্দের প্রতিষ্ঠানের নাম দিতে পারবেন এবং ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্যের আবেদন বাতিল হবে।
বদলি নিষ্পত্তির দায়িত্ব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ওপর থাকবে এবং প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
বদলির পর শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকার কথা বলা হয়েছে।
নীতিমালায় বদলিকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না এবং বদলি হলে টিএ-ডিএ ভাতা মিলবে না বলে উল্লেখ আছে।
বদলির আদেশের ১০ দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে শিক্ষককে অবমুক্ত করতে হবে এবং অবমুক্তির পরের ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে।
সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বা চলমান ফৌজদারি মামলায় থাকা শিক্ষক বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।