সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে আগামী শিক্ষাবর্ষের ভর্তি প্রক্রিয়ায় লটারি পদ্ধতি বহাল রাখার সম্ভাবনা নিয়ে শিক্ষা প্রশাসনে আলোচনা চলছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা বলেছেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
তাঁর ভাষ্য, ভর্তি পরীক্ষা শিশুদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে—এমন আশঙ্কায় লটারি ফেরানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পরীক্ষার বদলে লটারি রাখা যায় কি না তা নিয়ে ভাবা হচ্ছে।
কোন কোন শ্রেণিতে লটারি বহাল রাখা যেতে পারে, তা পর্যালোচনার দায়িত্ব ভর্তি কমিটিকে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
ওই কর্মকর্তা ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন।
মার্চে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে লটারি বাতিল করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
সে সময় তিনি আগাম ঘোষণা দিয়ে ভর্তি পরীক্ষার জন্য সবাইকে প্রস্তুতির সুযোগ দেওয়ার কথা বলেছিলেন।
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার বদলে প্রথম লটারি চালু হয় ২০১১ শিক্ষাবর্ষে।
বেসরকারি বিদ্যালয়ে একই পদ্ধতি চালু হয় ২০১২ সালে, যদিও তখন দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হতো।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় ২০২১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি শুরু হয় এবং এরপর থেকে পদ্ধতিটি চালু রয়েছে।