ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ওই অভিযোগে একই নামের এক মৃত শিক্ষকের ইনডেক্স নম্বর ও ব্যাংক হিসাব ব্যবহার করে সরকারি বেতন-ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগের লক্ষ্য মো. মহিউদ্দিন তজুমদ্দিন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এবং তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী হিসেবে পরিচিত।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, মাদ্রাসায় আরেক মো. মহিউদ্দিন ১৯৯৪ সালের ১৩ মার্চ জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান; তাঁর ইনডেক্স নম্বর ছিল ৩৬৪৭৭৬ এবং ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৬০৬।
অভিযোগে বর্তমান অভিযুক্ত মহিউদ্দিনের ইনডেক্স নম্বর ৬০২৭৮২ এবং ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব নম্বর ৪৫৭৭ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, তিনি ২০০৬ সালে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পান।
অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এমপিও তালিকায় ইনডেক্স ৬০২৭৮২-এর বিপরীতে ব্যাংক হিসাব ৪৬০৬ দেখা যায়।
সুপার নুরুজ্জামান বলেছেন, হিসাব-সংক্রান্ত তথ্য সংশোধনের জন্য কাগজপত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।
মহিউদ্দিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, হিসাব নম্বর একই হলেও ওই হিসাব থেকে বেতন তোলা হয়নি এবং নিয়োগের সময় তিনি কোনো তথ্য গোপন করেননি।
তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, ২০১৮ সালে সমস্যা সমাধানের কথা বলে সুপার তাঁর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নিয়েছিলেন।
সুপার নুরুজ্জামান মহিউদ্দিনের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তজুমদ্দিন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম বলেছেন, অভিযোগটি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।
ভোলা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি কাজী মাওলানা হারুনুর রশিদ বলেছেন, সংগঠনটি অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেবে।