দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে কেমন সম্পর্ক চায়, সেই সিদ্ধান্ত ভারতকেই নিতে হবে।

তিনি বলেন, ভারতের মাটিতে বসে স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী, সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগের নেতারা এবং দলটির প্রধান ষড়যন্ত্রমূলক কাজ চালিয়ে গেলে এবং ভারত সরকার তা বন্ধ না করলে সেটা বাংলাদেশের মানুষের জন্য উদ্বেগের জায়গা তৈরি করবে।

‘সিদ্ধান্তটা ভারতকে এখন নিতে হবে—তারা স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী, সাজাপ্রাপ্তদের বক্তব্য দিতে দেবে কি না’ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নত হোক—এটা দুই দেশের সরকার ও জনগণ চায় বলে শামা ওবায়েদ উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিবাদ জানানোর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ভারতীয় হাইকমিশনার সচিবালয়ে গিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন; প্রতিমন্ত্রী বলেন, এটাই প্রমাণ করে দুই দেশের সরকারের সম্পর্ক বহুমুখী এবং জ্বালানি সহযোগিতা, পানিবণ্টন ও সীমান্ত ব্যবস্থাপনার আলোচনা চলবে।

সাজাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্যের ইস্যুটি নিছক ২৪-৩৬ ঘণ্টার ব্যাপার নয়—এটি জুলাই যোদ্ধা, তাঁদের পরিবার ও ১৭ কোটি মানুষের অনুভূতিতে সরাসরি আঘাত করে বলেও তিনি জানান।

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে শামা ওবায়েদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বহুপক্ষীয় ফোরামে অংশগ্রহণে আগ্রহী, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তাঁর ব্যস্ততা ও সময়সূচির ওপর নির্ভর করবে; ভারত থেকে তাঁকে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিমসটেক সভাপতি হিসেবে দুই আমন্ত্রণ পাঠানো হয়েছে।