ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি দাবি করেছেন, দীর্ঘপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে রাশিয়ার দুটি তেল শোধনাগারে হামলা চালানো হয়েছে।

জেলেনস্কির ভাষায়, বুধবার রাত ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের একটি প্রধান তেল শোধনাগার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো লক্ষ্যবস্তু হয়েছে এবং বাশকোর্তোস্তান প্রজাতন্ত্রের একটি ছোট শোধনাগারেও হামলা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রকাশ করা ভিডিওতে ইয়ারোস্লাভলের স্লাভনেফট-ইয়ানোস তেল শোধনাগারে বড় ধরনের আগুন দেখা গেছে; স্বাধীন রুশ টেলিগ্রাম চ্যানেল আস্ত্রা ভিডিওগুলোর অবস্থান যাচাই করে আগুনের স্থানটি নিশ্চিত করেছে।

ইয়ারোস্লাভল অঞ্চলের গভর্নর মিখাইল ইয়েভরায়েভ জানিয়েছিলেন, ইউক্রেনীয় ড্রোন ওই অঞ্চলে হামলা চালাচ্ছে এবং মস্কোগামী কয়েকটি সড়কে যান চলাচলে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

গভর্নর শোধনাগারের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি; স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন, হামলার পর শহরের কয়েকটি বাড়িতেও আগুন লেগেছে।

ইয়ারোস্লাভলের তেল শোধনাগারটি মধ্য রাশিয়ার সবচেয়ে বড় এবং দেশটির পাঁচটি বৃহত্তম শোধনাগারের একটি; এখানে বছরে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মেট্রিক টন অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াজাত হয়।

জেলেনস্কি জানিয়েছেন, এর আগের রাতেও একই শোধনাগারে সফল হামলা চালানো হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মে মাসে এই স্থাপনাটি অন্তত চারবার ইউক্রিয়ান হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়।

ইউক্রেনের তথাকথিত 'দীর্ঘপাল্লার নিষেধাজ্ঞা' অভিযানের আওতায় রাশিয়ার তেল অবকাঠামোতে হামলার ফলে দেশের অনেক শোধনাগার উৎপাদন কমাতে বা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে বলে ইউক্রেনের দাবি।

এসব স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতির তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।