রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ কক্সবাজারমুখী রুটে আরও এক জোড়া ট্রেন যুক্ত করার পরিকল্পনার কথা বলেছেন।
তাঁর ভাষ্য, বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারে চার জোড়া ট্রেন চলাচল করছে।
যাত্রীচাহিদা বিবেচনায় ট্রেনের সংখ্যা পাঁচ জোড়ায় উন্নীত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।
এক বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী চলতি মাসেই নতুন জোড়া ট্রেন চালুর কথা বলেন, তবে অন্য বক্তব্যে এর রুট এখনো নির্ধারিত হয়নি বলে উল্লেখ করেন।
তিনি কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন এবং রুটের বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করেছেন।
আইকনিক স্টেশনের পরিচালনা বেসরকারি খাতে দেওয়ার বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে তিনি জানান।
এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্যতা, কার্যকারিতা ও জনবান্ধবতা যাচাই করা হচ্ছে বলেও তিনি বলেন।
প্রতিমন্ত্রী স্টেশনটিকে পর্যটনবান্ধব রেল হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম যাত্রার সময় কমাতে নারায়ণগঞ্জ থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে বলে তিনি জানান।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পথ এবং প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট যাত্রাসময় কমতে পারে বলে তাঁর হিসাব।
রেলওয়ের জমিতে নতুন ইজারা না দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও প্রতিমন্ত্রী জানান।
আইনি জটিলতামুক্ত বিদ্যমান ইজারা পর্যালোচনা করে বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে বলে তিনি বলেন।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইন নির্মাণকালে কাটা প্রায় ২ লাখ ৪০ হাজার গাছের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে বনায়নের অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
রেলের সময়নিষ্ঠ সেবা নিশ্চিত করতে বিলম্বের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিমন্ত্রী বলেন।