রেলপথ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তায় নজরদারি ও প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
গোয়েন্দা মূল্যায়নে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, রেলপথ এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাকে ঘিরে সম্ভাব্য নাশকতার আশঙ্কা করা হয়েছে।
সেই মূল্যায়নে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ঝটিকা মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, অবরোধ ও ভাঙচুরের মাধ্যমে যোগাযোগ বিঘ্নিত করার পরিকল্পনার অভিযোগ করা হয়েছে।
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন বাজার ও নিমতলী রেলগেটে আকস্মিক ব্যারিকেডের সম্ভাবনার কথাও ওই মূল্যায়নে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানীর সড়ক ও রেল যোগাযোগ সাময়িকভাবে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
মূল্যায়নে গার্মেন্ট খাতে কৃত্রিম অসন্তোষ, অগ্নিসংযোগ বা ভাঙচুরের চেষ্টা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানোর অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রেলওয়ে পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, স্টেশন ও প্ল্যাটফর্মে টহল বাড়ানো হয়েছে এবং সন্দেহজনক ব্যক্তি ও পরিত্যক্ত বস্তু শনাক্তে নজরদারি চলছে।
তিনি বলেন, যাত্রী তল্লাশি জোরদারসহ প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত আছে এবং ঘটনা ঘটলে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সব ইউনিটকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কথিত পরিকল্পনাগুলোর স্বাধীন যাচাই বা এ অভিযোগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো প্রতিক্রিয়া এই প্রমাণসেটে নেই।