ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে উচ্চগতির রেল স্থাপনের একটি প্রকল্প প্রস্তাবিত থাকলেও তা এখনো বাস্তবায়নের পর্যায়ে যায়নি।
উচ্চ ব্যয়কে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে না যাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ২২৫ থেকে ২৩১ কিলোমিটার হতে পারে।
পরিকল্পনায় ট্রেনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ৩০০ কিলোমিটার এবং যাত্রার সময় ৫৫ থেকে ৭৫ মিনিট ধরা হয়েছে।
প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ৯৩ থেকে ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
চায়না রেলওয়ে ডিজাইন করপোরেশন প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও নকশা প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল।
বর্তমান ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩২১ কিলোমিটার।
চীন এক দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবে রয়েছে।
দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হলেও বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ২১ থেকে ২২ বিলিয়ন ডলার বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মঈনুল ইসলাম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর, মিরসরাই শিল্পনগর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের শিল্পায়ন সম্ভাবনা অঞ্চলটির অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াচ্ছে।
মঈনুল ইসলামের মতে, চীনা বিনিয়োগ শিল্পাঞ্চল, রপ্তানিমুখী উৎপাদন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের সঙ্গে যুক্ত হলে তা কর্মসংস্থান ও বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
প্রস্তাবিত রেল প্রকল্পের অর্থায়ন, অনুমোদনের অবস্থা, নির্মাণসূচি এবং চীনা বিনিয়োগের কোনো চূড়ান্ত অঙ্গীকারের তথ্য এখানে নির্দিষ্ট করা হয়নি।