ভারত থেকে কাঁচা মরিচের চালান ভোমরা ও বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে এসেছে।

ভোমরা কাস্টমস কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সোমবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১০টি ট্রাকে প্রায় ১০০ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ বন্দরে প্রবেশ করেছে।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামিম হোসেন জানান, একটি ট্রাকে ৯ হাজার ২০০ কেজি কাঁচা মরিচ বন্দরে পৌঁছানোর পর দ্রুত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বেনাপোলের ওই চালানটি খালাসের পর ঢাকার উদ্দেশে পাঠানো হয়।

দুই বন্দরের কর্মকর্তারাই সীমান্তের ওপারে বা বন্দরে আরও কাঁচা মরিচবাহী ট্রাকের অপেক্ষার কথা জানিয়েছেন।

কৃষি বিভাগ বলেছে, সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা ও মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সাতক্ষীরা শহরের কাঁচা ও পাকামাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রজব আলী বলেন, টানা বৃষ্টিতে মরিচের খেত পানিতে তলিয়ে ক্ষতি হওয়ায় সরবরাহ কমেছে।

রজব আলীর ভাষ্য, সাতক্ষীরায় ১৫ দিন আগে কেজিপ্রতি ৫০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাঁচা মরিচের দাম ৩০০ টাকার বেশি হয়েছে।

বেনাপোলের কাঁচাবাজারে সোমবার কেজিপ্রতি কাঁচা মরিচ ৩০০ টাকায় বিক্রির তথ্য দেওয়া হয়েছে।

এক আমদানিকারক শাহাজান বলেন, তাঁর কেজিপ্রতি আমদানি ব্যয় প্রায় ১৩৫ টাকা হয়েছে এবং কম লাভে বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে।

আমদানি নথিতে প্রতি টনের ঘোষিত মূল্য ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকা এবং কেজিপ্রতি প্রায় ৪৫ টাকা শুল্কের উল্লেখ রয়েছে।

শাহাজান অভিযোগ করেন, কাস্টমস ও পণ্য খালাসের জটিলতায় অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে।

ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকেরা বলেছেন, আমদানি ধারাবাহিকভাবে বাড়লে বাজারে সরবরাহ বাড়তে পারে এবং দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে।