বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে ৯ হাজার ২০০ কেজি, অর্থাৎ ৯.২ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি হয়েছে।

৩ আগস্ট রাতে ভারতীয় একটি ট্রাকে চালানটি বন্দরে পৌঁছায়।

বন্দর ও কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষে চালানটি দ্রুত খালাস করা হয়।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, খালাসের পর পণ্যটি ঢাকায় পাঠানো হয়েছে এবং সীমান্তের ওপারে আরও কয়েকটি কাঁচামরিচবাহী ট্রাক অপেক্ষায় ছিল।

চালানটির আমদানিকারক শিমু এন্টারপ্রাইজ; খালাসের কাগজপত্রে সহায়তা করেছে শিমু শিপিং লাইন্স।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ৬৯ ব্যবসায়ীকে মোট ২৯ হাজার ৭১০ টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতিপত্র দেওয়া হয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় এ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আমদানি নথিতে প্রতি টনের ঘোষিত মূল্য ২৩ হাজার ৮৭৫ টাকা, বা প্রতি কেজিতে প্রায় ২৪ টাকা দেখানো হয়েছে।

ওই নথি অনুযায়ী কেজিপ্রতি প্রায় ৪৫ টাকা শুল্ক যোগ হলে প্রাথমিক আমদানি ব্যয় প্রায় ৭৮ টাকা দাঁড়ায়।

আমদানিকারক শাহাজান আলী বলেন, পরিবহন, বন্দর, কাস্টমস ও খালাসসহ অন্যান্য ব্যয় যোগ করে তাঁর কেজিপ্রতি মোট খরচ প্রায় ১৩৫ টাকা হয়েছে।

তিনি সামান্য লাভে পণ্য বিক্রির কথা জানিয়ে বলেন, আমদানি বাড়লে বাজারদর কমতে পারে।

শাহাজান আলীর অভিযোগ, কাস্টমসের হয়রানি ও পণ্য ছাড়করণে জটিলতার কারণে রাজস্ব ও আমদানি ব্যয় বাড়ছে।

বেনাপোল কাঁচাবাজারে কাঁচামরিচ কেজিপ্রতি ৩০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।