আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় প্রসিকিউশন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেছে।
সেখানে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম বলেন, ট্রাইব্যুনাল আইনে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বহাল থাকায় জাতিসংঘ তার অনুসন্ধানে ব্যবহৃত প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দেয়নি।
তাঁর ভাষ্য, আইন থেকে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাদ দেওয়া হলে জাতিসংঘ ওই প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য দিতে রাজি ছিল।
প্রসিকিউটর বলেন, জাতিসংঘের সাক্ষীদের না পেলেও প্রসিকিউশন নিজস্ব প্রত্যক্ষদর্শী হাজির করছে।
প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১৪ থেকে ১৭ জুলাই আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নির্দেশে সশস্ত্র ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালিয়েছিল।
জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তর ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল।
ওই অনুসন্ধানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া, সিলেট ও গাজীপুরে কাজ করা হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও ঘটনার সাক্ষীদের সঙ্গে ২৩০টির বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়।
সরকার, নিরাপত্তা বাহিনী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে আরও ৩৬টি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছিল।
মামলায় অন্য আসামিরা হলেন আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ; তাঁদের সবাই পলাতক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
আসামিদের পক্ষ থেকে শুনানিতে উত্থাপিত অভিযোগ বা প্রসিকিউটরের বক্তব্যের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।