নেত্রকোনার সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামে এক কিশোরীকে ঘিরে অভিযোগের পর কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়াকে স্থানীয় সালিশে ৫ লাখ টাকা দিতে ও গ্রাম ছাড়তে বলা হয়েছে।

সোমবার রাতে স্থানীয় একটি বাজারে এ সালিশ বসে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কিশোরীটি দীর্ঘদিন রিপন মিয়ার কনটেন্ট তৈরির কাজে সহযোগিতা করত এবং পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

স্থানীয়দের আরও দাবি, কয়েক দিন আগে কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখেন; এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে সালিশ ডাকা হয়।

সালিশে উপস্থিত মুখলেছুর রহমান দৌলত বলেন, রিপন মিয়া অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেছেন এবং কিশোরীর ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় অর্থ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক সপ্তাহের মধ্যে ৫ লাখ টাকা দিতে বলা হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ে টাকা না দিলে রিপন মিয়ার বাড়ি কিশোরীর নামে লিখে দেওয়ার কথাও সালিশে বলা হয়।

সালিশের পর থেকে রিপন মিয়া এলাকা ছেড়ে আছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে নেত্রকোনা মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল খায়ের বলেন, পুলিশ সালিশে উপস্থিত ব্যক্তি, স্থানীয় বাসিন্দা, কিশোরী ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে কথা বলে প্রকৃত ঘটনা জানার চেষ্টা করছে।

ওসি বলেন, এমন ঘটনা সালিশে মীমাংসার সুযোগ নেই এবং তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কিশোরীর বয়স নিয়ে ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে; এক বর্ণনায় তাঁর বয়স ১৩ থেকে ১৪ বছর, অন্য বর্ণনায় ১৫ বছর বলা হয়েছে।