বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার রাড়ীপাড়া ইউনিয়নের চান্দেরকোলা গ্রামে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যুর ঘটনায় দাফন ও হত্যা মামলা হয়েছে।
নিহতরা হলেন আহাদ হাওলাদার, তাঁর মা মনিরা বেগম এবং নানি রাশিদা বেগম।
৪ আগস্ট দুপুরে চান্দেরকোলার একটি ঘর থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের পর সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
৫ আগস্ট বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে পুলিশ মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।
সন্ধ্যায় জানাজা শেষে মনিরা বেগম ও আহাদ হাওলাদারকে চান্দেরকোলার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
রাশিদা বেগমের জানাজা ও দাফন হয় বাগেরহাট সদর উপজেলার বৃষ্টিপুর গ্রামে তাঁর বাড়িতে।
মনিরা বেগমের বড় ছেলে ফয়সাল হাওলাদার ৪ আগস্ট গভীর রাতে কচুয়া থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
পুলিশ একটি হাতুড়িসহ কিছু আলামত উদ্ধারের কথা জানিয়েছে।
পুলিশের ভাষ্য, নিহত আহাদ ও মনিরা বেগমের ব্যবহৃত মুঠোফোন এবং কোনো মূল্যবান মালামাল উদ্ধার হয়নি।
পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার বলেন, জেলা গোয়েন্দা পুলিশ, কচুয়া থানা পুলিশ, পিবিআই ও সিআইডির একাধিক দল সব সম্ভাবনা সামনে রেখে তদন্ত ও অভিযান চালাচ্ছে।
তিনি বলেন, তখন পর্যন্ত হত্যার কারণ এবং জড়িতদের শনাক্ত করা যায়নি।
বাদী ফয়সাল হাওলাদার ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেন; তাঁর ভাষ্য, ঘরে থাকা টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন পাওয়া যায়নি।
একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিবেশী চুরি বা ডাকাতির সম্ভাবনার কথা বললেও পুলিশ এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।