ঢাকার দক্ষিণখানে দন্তচিকিৎসক সারাহ রোকসানা পিনুর মৃত্যু নিয়ে করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তাঁর স্বামী সোহেল রানাকে দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিন তদন্ত কর্মকর্তা দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক হাবিবুর রহমানের আবেদনের পর এ আদেশ দেন।

৩ আগস্ট আদালত সোহেল রানার জামিন আবেদন নাকচ করে তাঁকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠান।

৩০ জুলাই ফায়দাবাদ এলাকার জামতলা গলির একটি বাসা থেকে পিনুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পিনুর বোন সারাহ সুলতানা পলি ৩১ জুলাই দক্ষিণখান থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঘটনার দিন পিনু বাসায় একা ছিলেন এবং পরে তাঁদের মেয়ে বাসায় ফিরে তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পায়।

তদন্তের শুরুতে পুলিশ গ্রিল কেটে বাসায় ঢুকে হত্যা ও চুরির সম্ভাবনা বিবেচনা করেছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, জানালার ভেতরের বারান্দায় পাওয়া একটি জুতার ছাপ বাসায় থাকা একজোড়া জুতার সঙ্গে মেলে; জুতাটি সোহেল রানার বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই সূত্র ধরে ১ আগস্ট সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে তদন্তের তথ্য বলছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে জানান, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

সোহেল রানা অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, চোরেরা বাসায় ঢুকে স্বর্ণালংকার নেয় এবং পিনু জেগে ওঠায় তাঁকে হত্যা করে।

তিনি আরও দাবি করেন, ঘটনার সময় তিনি কর্মস্থল-সংশ্লিষ্ট একটি প্রকল্প এলাকায় ছিলেন এবং মেয়ের শিক্ষকের ফোনে ঘটনা জানতে পারেন।

মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান থাকায় অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো বিচারিক সিদ্ধান্ত হয়নি।