পাকিস্তানে আল জাজিরার ওপর আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা জারির কোনো ঘোষণা সরকার দেয়নি।
তবে দেশটির কয়েকজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আল জাজিরার ইংরেজি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেছেন।
এই অভিযোগগুলো ওয়েবসাইটে প্রবেশে সীমাবদ্ধতার ইঙ্গিত দিলেও আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা নিশ্চিত করে না।
পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এজেকে নির্বাচনের বিষয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদনকে বাছাই করা এবং বিভ্রান্তিকর বলে সমালোচনা করেছে।
মন্ত্রণালয়ের ভাষ্য, মুজাফফরাবাদের নির্বাচিত কয়েকটি ভোটকেন্দ্র, নির্দিষ্ট সময় এবং নির্বাচিত ব্যক্তিদের বক্তব্য তুলে ধরে ভোটপ্রক্রিয়াকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয় আল জাজিরার সাংবাদিকতাকে ‘হলুদ সাংবাদিকতা’ আখ্যা দিয়ে বলেছে, এতে নির্বাচন ও এজেকের জনগণের রায়কে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা হয়েছে।
কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস বা সিপিজে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে সংবাদ সংগ্রহে বাধা, ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগে বিধিনিষেধ এবং সাংবাদিকদের হয়রানির অভিযোগে উদ্বেগ জানিয়েছে।
সিপিজের দাবি, স্বাধীন সাংবাদিক রাজি তাহির ও তাঁর সহকর্মী মোহাম্মদ সাইফ ১ আগস্ট থেকে নিখোঁজ।
সংস্থাটির ভাষ্য, পুলিশের পোশাকধারী ব্যক্তিরা ইসলামাবাদে তাঁদের কার্যালয় থেকে দুজনকে নিয়ে যাওয়ার পর তাঁদের অবস্থান জানা যায়নি।
সিপিজে পাকিস্তান কর্তৃপক্ষকে তাঁদের রাষ্ট্রীয় হেফাজতে রাখা হয়ে থাকলে তা প্রকাশ, আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত এবং ইচ্ছামতো আটক হলে মুক্তির আহ্বান জানিয়েছে।
সিপিজে আরও বলেছে, কাশ্মীরি সাংবাদিক রাজা ইকরামকে আটক করার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সিপিজের দাবি, ৫ জুন থেকে পাকিস্তান-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে আংশিক ইন্টারনেট বন্ধ এবং টেলিযোগাযোগে কঠোর বিধিনিষেধ চলছে; সংস্থাটি আল জাজিরার ওয়েবসাইটে প্রবেশ সীমিত হওয়ার অভিযোগও পর্যবেক্ষণ করছে।