নেত্রকোনা সদর উপজেলার এক ১৪ বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে।
অভিযোগটি নিয়ে দক্ষিণ বিশিউড়ার নন্দুরা বাজারে বিএনপির কার্যালয়ে স্থানীয় সালিস বসার তথ্য পাওয়া গেছে।
সেখানে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা দেওয়ার এবং এলাকা ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে সালিস-সংশ্লিষ্ট তথ্যগুলোতে বলা হয়েছে।
কিশোরীর পরিবার বলেছে, রিপন মিয়া আগে থেকেই তাকে উত্ত্যক্ত করতেন।
পরিবারের অভিযোগ, বাড়ির উঠানে রান্নার সময় তাকে বাড়ির পাশের স্থানে নিয়ে যৌন সহিংসতা চালানো হয়।
ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি ফজলুর রহমান বলেছেন, তিনি ঘটনাটিকে জোরপূর্বক ধর্ষণ হিসেবে জানেননি।
ফজলুর রহমানের এই বক্তব্য কিশোরীর পরিবারের বর্ণিত অভিযোগের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সালিসের ভিডিওতে রিপন মিয়াকে উপস্থিত ব্যক্তিদের কাছে ক্ষমা চাইতে দেখা গেছে বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
ফজলুর রহমান বলেছেন, কিশোরীর পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কথা বিবেচনা করে এলাকাবাসী সালিসে বসেছিল এবং তিনি পরে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি আবুল খায়েরের বক্তব্যে আনুষ্ঠানিক অভিযোগের অবস্থা ভিন্নভাবে এসেছে: এক পর্যায়ে পরিবারকে অভিযোগ দিতে থানায় পাঠানোর কথা বলা হয়েছে, অন্য পর্যায়ে তখনও অভিযোগ না পাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ওসি আবুল খায়ের বলেছেন, পুলিশ এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে এবং সালিসে থাকা ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেছেন, রিপন মিয়াকে আটকের চেষ্টা চলছে।
অভিযোগের ঘটনার নির্দিষ্ট দিন, সালিসের সুনির্দিষ্ট তারিখ এবং মামলার বর্তমান অবস্থা নিশ্চিত নয়, কারণ এসব বিষয়ে বর্ণনায় অমিল রয়েছে।