ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলম আবুল বাশার বাদশাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার মনোয়ার হোসেন জীবন ওরফে লেদু হাসানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

২ আগস্ট তাঁকে আদালতে হাজির করার পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন।

আদালত রিমান্ডের আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠান।

আদালতের আদাবর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, মামলার বাদী হলফনামা দিয়ে দাবি করেছেন যে লেদু হাসান প্রকৃত আসামি নন।

পুলিশ তাঁকে মোহাম্মদপুরের নবোদয় হাউজিং ইউনিট বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার বাদশাহ হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পুলিশের ভাষ্য, অন্য গ্রেপ্তারদের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে লেদু হাসান মূল হামলাকারী পারভেজকে অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন বলে উল্লেখ আছে।

র‍্যাব-২ ২৮ জুলাই রাতে মোহাম্মদপুরের মোহাম্মাদিয়া হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে লেদু হাসানকে আটক করে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাঁশি বাজানোকে কেন্দ্র করে বিরোধের পর ১ জুলাই রাতে চার রাস্তার মোড়ে বাদশাহ ও সাদ্দামের ওপর হামলা হয়।

অভিযোগে হামলাকারীদের সুইচ গিয়ার ও চাপাতি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, গুরুতর আহত বাদশাহকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন এবং সাদ্দাম শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বাদশাহর স্ত্রী স্মৃতি আক্তার আদাবর থানায় মামলাটি করেন।

পুলিশ বলেছে, হত্যা, অস্ত্র ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগে রাজধানীর থানাগুলোতে লেদু হাসানের বিরুদ্ধে ৩২টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, এ হত্যা মামলায় এ পর্যন্ত ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।