নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালী ইউনিয়নের বাখরনগর বা বাখননগর এলাকায় হামলার পর সুমন মিয়া নামে এক ব্যক্তি মারা গেছেন।

নিহতের বয়স নিয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে; এক বিবরণে তাঁকে ৩০ বছর এবং অন্যটিতে ২৩ বছর বলা হয়েছে।

দুই বিবরণেই তাঁকে বাখরনগর গ্রামের আব্দুল বাতেন বা বাতেন মিয়ার ছেলে হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হামলার ধরন নিয়েও অসামঞ্জস্য আছে: এক বিবরণে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের কথা, অন্যটিতে গুলির কথা বলা হয়েছে।

ঘটনার সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা না রাত এবং হামলার আগের অবস্থান নিয়েও বিবরণ দুটি এক নয়।

হামলার পর তাঁকে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে স্থানীয় বিরোধের জেরের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও প্রকৃত কারণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এম আর আল মামুনও স্থানীয় দ্বন্দ্বের জেরের কথা উল্লেখ করে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থার কথা বলেন।

নিহতের স্বজনেরা পূর্ববিরোধের জেরে পরিকল্পিত হামলার অভিযোগ করেছেন, তবে তাঁরা নির্দিষ্ট কারও নাম প্রকাশ করেননি।

নিহতের বোন কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে ভাইকে ধরে নিয়ে হত্যার অভিযোগ করেছেন; অভিযোগগুলোর স্বাধীন প্রমাণ বা তদন্তগত সত্যতা নিশ্চিত হয়নি।

আলোকবালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্যসচিব জয়নাল আবেদিন সরকার রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের অভিযোগ তুলেছেন, কিন্তু পুলিশ এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

হামলাকারীদের পরিচয়, হামলার অস্ত্র ও উদ্দেশ্য তদন্তে নিশ্চিত হওয়া বাকি রয়েছে।