মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (৩১ জুলাই) ক্যাম্প ডেভিডে মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলা আরও কঠোরভাবে চলবে এবং ওয়াশিংটন এই যুদ্ধে জয় চায়।
তিনি বলেন, ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র ভালো অবস্থানে থাকলেও যতটা সম্ভব সংযম দেখানোর চেষ্টা করছে।
ট্রাম্প ইরান এখনও শক্ত অবস্থানে আছে—এমন ধারণা নাকচ করে বলেন, দেশটি খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছে, অত্যন্ত অসৎ এবং তাদের সঙ্গে সমঝোতা কঠিন।
তিনি দাবি করেন, পাঁচ মাসের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে এবং ভিয়েতনাম ও আফগানিস্তানের অতীত যুদ্ধের সঙ্গে এই সংঘাতের তুলনা টানেন।
ট্রাম্প জানান, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের ফোনের অপেক্ষায় থাকাকালে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ তাকে বলেন, ইরান জর্ডানে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।
প্রেক্ষাপটে বলা যায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানি হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে; তেহরান জানিয়েছে, পাল্টা জর্ডানসহ উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করেছে।
গত জুনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধ অবসানের একটি কাঠামোগত চুক্তি সই করলেও সাম্প্রতিক হামলা-পাল্টা হামলায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আবার তীব্র হয়েছে।