৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের কথা ছিল।

উদ্বোধনের পর জাদুঘরটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল।

জাদুঘরটি শেরেবাংলা নগরের গণভবন প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে।

এখানে জুলাই আন্দোলনের স্মারক, আলোকচিত্র, দালিলিক উপকরণ এবং বিভিন্ন আন্দোলন ও প্রতিরোধের ইতিহাস উপস্থাপনের কথা বলা হয়েছে।

প্রদর্শনীর মধ্যে প্রতীকী আয়নাঘর, স্মৃতিফলক ও নিহতদের স্মরণে প্রতীকী কবর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

জাদুঘরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জব্দ করা কিছু আলামত এক মাস প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, নতুন প্রজন্মের সামনে গণঅভ্যুত্থানের চেতনা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।

জাদুঘর কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলার সময় নির্ধারণের কথা জানিয়েছে।

কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রবেশ ফি প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ৫০ টাকা, শিশুদের জন্য ২০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ৫০০ টাকা এবং অন্য দেশের নাগরিকদের জন্য ২ হাজার টাকা।

জাদুঘর প্রকল্পের ব্যয়, সরাসরি ক্রয় ও নিয়োগ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে; এসব অভিযোগের কোনো নিষ্পত্তির তথ্য এখানে নেই।

সরকার ২৯ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ কামরুজ্জামানকে জাদুঘরের মহাপরিচালক হিসেবে প্রেষণে নিয়োগ দেয়।