৫ আগস্ট সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের ফলক উন্মোচন করেন বলে জানানো হয়েছে, যদিও একই সময় উদ্বোধন হওয়ার কথা অন্য বর্ণনায় ভবিষ্যৎকাল হিসেবে উল্লেখ ছিল।
জাদুঘরটি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে স্থাপিত।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, জাদুঘরটি বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করার কথা।
জাদুঘরে আন্দোলন-সংগ্রাম, ছাত্র-জনতার প্রতিরোধ এবং বিভিন্ন সময়ের স্মারক, আলোকচিত্র ও দালিলিক উপকরণ রাখা হয়েছে।
প্রবেশমুখের নির্দেশনাপাথরে পার্কিং, স্মারক এলাকা, জুলাই মঞ্চ, মেমোরিয়াল, প্রতীকী আয়নাঘর ও থিয়েটারসহ বিভিন্ন স্থাপনার অবস্থান দেখানো হয়েছে।
উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে নিহতদের স্মরণে প্রতীকী কবর নির্মাণ করা হয়েছে এবং সাদা পাথরের ফলকে নাম খোদাই করা হয়েছে।
মাঠ ও চলাচলের পথে জুলাই আন্দোলন-সংক্রান্ত ছবি, তথ্য ও বিবরণ প্রদর্শন করা হয়েছে।
জাদুঘরের প্রদর্শনীতে ১৯৮২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে যোগদান, ১৯৮৬ সালের নির্বাচন, ১৯৯১ সালে সংসদীয় গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন এবং ২০০৬ ও ১/১১-পরবর্তী ঘটনাবলির ছবি ও তথ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত জাদুঘর খোলা থাকবে।
কর্তৃপক্ষের ঘোষিত ফি অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশে ৫০ টাকা এবং শিশুদের প্রবেশে ২০ টাকা লাগবে।
মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, নতুন প্রজন্মের সামনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা তুলে ধরার লক্ষ্যেই জাদুঘরটি নির্মাণ করা হয়েছে।