৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি এবং দেশজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নির্ধারিত ছিল।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সকাল ৯টায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের কথা ছিল।

দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের কর্মসূচিও ছিল।

ঢাকায় বেলা ১১টায় শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা এবং আলোচনা অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

ওই অনুষ্ঠানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রমের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল।

সব জেলায় শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য সংবর্ধনা এবং আলোচনা সভার আয়োজনের কথাও জানানো হয়েছিল।

ঢাকাসহ সিটি করপোরেশন এলাকায় জুলাই আন্দোলনভিত্তিক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পরিকল্পনা ছিল।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজনের কথা বলা হয়েছিল।

বাংলাদেশের বিদেশি দূতাবাসগুলোতেও দিবসটি উপলক্ষে কর্মসূচি রাখার পরিকল্পনা ছিল।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি তাঁর বাণীতে বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানকে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক বিজয় হিসেবে বর্ণনা করেন।

রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ শিরোনামে একটি কনসার্ট আয়োজনের ঘোষণা ছিল।

জামায়াতে ইসলামী পল্টনে সমাবেশের এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নেতৃত্বাধীন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট আলোচনাসভার কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।