ইরানের বিরুদ্ধে পাঁচ মাসের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ কয়েক ধরনের নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত প্রায় শেষ করে ফেলেছে বলে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্র দাবি করেছে।

তাদের দাবিতে উল্লেখ করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে আর্মি ট্যাকটিক্যাল মিসাইল সিস্টেম বা অ্যাটাকামস এবং প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল বা পিআরএসএম।

এই স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দূর থেকে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের জন্য ব্যবহৃত হয়; পিআরএসএমকে পুরোনো অ্যাটাকামসের বিকল্প হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে।

বিষয়টির সঙ্গে যুক্ত চতুর্থ একজন ব্যক্তি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর দায়িত্বে থাকা সেন্টকম যুদ্ধ শুরুর আগের স্থলভিত্তিক ক্ষেপণাস্ত্র মজুতের প্রায় সবই ব্যবহার করেছে।

ওই ব্যক্তির ভাষ্য, বিশ্বের অন্য অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটি থেকে মজুত পুনঃপূরণের প্রক্রিয়া চলছে।

সিএসআইএসের হিসাবে ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের প্রায় ৬৫ শতাংশ ব্যবহৃত হয়েছে।

একই হিসাবে থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত যুদ্ধ শুরুর সময়ের তুলনায় অন্তত ৩৮ শতাংশ কমেছে।

বিশ্লেষকেরা বলেছেন, নির্দিষ্ট কিছু সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন বাড়লেও দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের চাহিদার তুলনায় সেই গতি যথেষ্ট নয়।

কয়েকটি সূত্রের ভাষ্য, অস্ত্রভান্ডার কমে যাওয়ার সতর্কতার পর ট্রাম্প ইরানে আরেকটি বড় হামলা না চালানোর সিদ্ধান্ত নেন।

তবে একজন মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর চাপের কারণেই পরবর্তী হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে।

ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি অস্ত্র রয়েছে এবং প্রয়োজনের চেয়েও বেশি মজুত আছে।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র একাধিক কমব্যাট কমান্ডে অভিযান চালালেও জনগণ ও স্বার্থ রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত এবং গভীর সক্ষমতার অস্ত্রভান্ডার বজায় রেখেছে।