জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০২৬-২৭ করবর্ষে সময়ের শুরুতে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য নতুন কর প্রণোদনার কথা জানিয়েছে।
১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ পর্যন্ত প্রণোদনা মিলবে, যার সর্বোচ্চ সীমা ২৫ হাজার টাকা।
এই সুবিধা স্বাভাবিক ব্যক্তি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবার বা এইচইউএফ করদাতাদের জন্য প্রযোজ্য বলে এনবিআর জানিয়েছে।
এনবিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে কোনো কর প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না।
১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে পরিশোধযোগ্য করের ২ শতাংশ অথবা ৩ হাজার টাকা—যেটি বেশি—অতিরিক্ত কর দিতে হবে।
১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুনের মধ্যে রিটার্ন দাখিলে অতিরিক্ত কর হবে পরিশোধযোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ৫ হাজার টাকা, যেটি বেশি।
নিয়মগুলো আয়কর আইন, ২০২৩-এর নতুন বিধানের আওতায় কার্যকর হয়েছে বলে এনবিআর জানিয়েছে।
ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ২২ জুলাই থেকে ই-রিটার্ন সেবা চালু রয়েছে।
এনবিআরের ই-ট্যাক্স প্ল্যাটফর্মে রিটার্ন দাখিলের পাশাপাশি ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড এবং কয়েকটি মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে কর পরিশোধের ব্যবস্থা রয়েছে।
সঠিকভাবে অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের পর তাৎক্ষণিক প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করা যাবে বলে এনবিআর জানিয়েছে।
অনলাইন রিটার্ন-সংক্রান্ত সহায়তার জন্য সরকারি ছুটির দিন ছাড়া অফিস সময়ে এনবিআরের কল সেন্টার ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সহায়তা পাওয়া যাবে।
এনবিআর বলেছে, আগাম রিটার্ন দাখিলে প্রণোদনা কর পরিপালনে উৎসাহ বাড়ানো এবং কর প্রশাসনকে আরও সুশৃঙ্খল করার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছে।