কাঁচা মরিচের বাজারে সরবরাহ বাড়ানো ও দাম স্থিতিশীল রাখতে সরকার ৩ আগস্ট থেকে আমদানির অনুমতি দিয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, সরবরাহ বৃদ্ধি ও মূল্য স্থিতিশীল রাখাই এই সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য।
কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানোর উদ্যোগের পাশাপাশি আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
আমদানি করা মরিচ বাজারে পৌঁছালে দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে দামে প্রভাব পড়ে তা সহনীয় পর্যায়ে নামতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে কাঁচা মরিচ কেজিপ্রতি ৩২০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীতে এ পণ্যের দাম কেজিপ্রতি ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।
যশোরের বড়বাজার, চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড বাজার ও রেলগেট বাজারে কাঁচা মরিচ মানভেদে কেজিপ্রতি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
সেখানে দুই দিনের ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা বেড়েছে বলে বিক্রেতা ও ক্রেতাদের বক্তব্যে উঠে এসেছে।
রেলগেট বাজারের এক ক্রেতা নুরুজ্জামান বলেন, তিনি দুই দিন আগে ২৪০ টাকায় এবং পরে ৩০০ টাকায় প্রতি কেজি মরিচ কিনেছেন।
যশোরে বেগুন কেজিপ্রতি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং উচ্ছে ১২০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে; বরবটি বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকা কেজিতে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপপরিচালক মোশারফ হোসেন বলেন, জেলায় এ বছর প্রায় ৬০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হলেও খরা ও পরে অতিবৃষ্টিতে ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, গত বছর জেলায় প্রায় সাড়ে ৫০০ হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছিল এবং প্রায় এক মাসের মধ্যে উৎপাদন স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
সাতমাইল বারিনগর হাটের ইজারাদার আব্দুস সুবহান বলেন, আগে দৈনিক এক হাজার থেকে দেড় হাজার কেজি মরিচ উঠলেও তা কমে ৩০০ থেকে ৪০০ কেজিতে নেমেছে।
তাঁর ভাষ্য, স্থানীয় ক্ষেতের ক্ষতির পর ব্যবসায়ীরা ফরিদপুরের মধুখালী এলাকা থেকে মরিচ এনে যশোরের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করছেন।