জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে ২ আগস্ট ঢাকার সায়েন্স ল্যাব মোড়ে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ একটি জনসভার আয়োজন করে।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।

রফিকুল ইসলাম খানের অভিযোগ, বিএনপি সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে গণভোটের রায় বাতিল করেছে।

তিনি দাবি করেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

সরকার গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আন্দোলনের মাধ্যমে তা বাস্তবায়নে বাধ্য করা হবে বলেও তিনি বলেন।

রফিকুল ইসলাম খান বিএনপির তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে অতীত অবস্থানের সমালোচনা করেন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীকে মূলধারায় আসতে বাধা দেওয়া ও ষড়যন্ত্রে যুক্ত থাকার অভিযোগ তোলেন।

বক্তব্যে তিনি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলন, জামায়াত ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করা এবং তৎকালীন সরকারের পতন নিয়ে নিজের ব্যাখ্যা তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথি ডাকসু ভিপি আবু সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, বিপ্লব-পরবর্তী সরকার দলীয়করণ করছে এবং রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দিচ্ছে।

সভাপতি হেলাল উদ্দিন বলেন, গণভোটের রায় মেনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

উত্থাপিত রাজনৈতিক অভিযোগ, গণভোটে ভোটের হার এবং নিয়োগসংক্রান্ত দাবিগুলোর বিষয়ে বিএনপি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বা সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের প্রতিক্রিয়া এখানে পাওয়া যায়নি।