বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও ভৈরবে পৃথক মিছিল এবং সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেছে।
শনিবার সকাল ১১টার কর্মসূচিতে দলটির নেতারা গণহত্যার বিচার, গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানান।
পাকুন্দিয়ার মিছিল উপজেলা প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মাঠ থেকে শুরু হয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে পাটমহল মোড়ে শেষ হয়।
পাটমহল মোড়ের সমাবেশে জেলা জামায়াতের রাজনৈতিক সেক্রেটারি অধ্যাপক আজিজুল হক কাজল, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে দলীয় প্রার্থী মাওলানা শফিকুল ইসলাম মোড়ল, উপজেলা আমির মাওলানা আব্দুল জব্বার এবং উপজেলা সেক্রেটারি আ ন ম আব্দুল্লাহ মমতাজ বক্তব্য দেন।
ভৈরবের মিছিল কমলপুর হাজী মার্কেট এলাকা থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পৌর শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
ভৈরবের কর্মসূচির আগে আলোচনাসভায় উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মো. কামরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন এবং সাবেক উপজেলা আমির মাওলানা মো. কবির হোসাইন প্রধান বক্তা ছিলেন।
দুই সমাবেশের বক্তারা ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানকে দুঃশাসন, বৈষম্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জনগণের আন্দোলন হিসেবে বর্ণনা করেন।
তাঁদের বক্তব্যে, ওই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রত্যাশা প্রকাশ পেয়েছিল।
বক্তারা দাবি করেন, গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
ভৈরবের বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকার নির্বাচনের আগে দেওয়া বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি এবং গণহত্যার বিচারেও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়নি।
তাঁরা দ্রুত বিচার, গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে কার্যকর পদক্ষেপ না হলে দলীয় সিদ্ধান্তে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণার কথা বলেন।
দুই কর্মসূচিতে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং আহতদের সুস্থতা কামনা করা হয়।
আয়োজকেরা বলেন, দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মিছিলে অংশ নেন এবং কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।