অন্ধত্ব প্রতিরোধ ও শিশুদের পুষ্টিহীনতা কমানোর লক্ষ্য নিয়ে ২৮ জুন দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়।

এ কর্মসূচিতে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়ার কথা ছিল।

আইপিএইচএনের প্রথম রাউন্ডের চূড়ান্ত প্রশাসনিক হিসাবে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ কোটি ২৭ লাখ ৬ হাজার ৩১৪ শিশু।

সেখানে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৬ হাজার ৫০৬ শিশুকে ক্যাপসুল দেওয়ার তথ্য রয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশ।

সে হিসাবে প্রায় ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮০৮ শিশু কর্মসূচির বাইরে ছিল।

গ্রামাঞ্চলে প্রশাসনিক কাভারেজ ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ হলেও সিটি করপোরেশন এলাকায় তা ছিল ৯৮ দশমিক ৮ শতাংশ।

শহরাঞ্চলে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের কাভারেজ আরও কম, ৯৭ দশমিক ৬ শতাংশ।

জেলাভিত্তিক হিসাবে সর্বনিম্ন কাভারেজ ছিল কিশোরগঞ্জে, ৯৩ দশমিক ৮ শতাংশ।

মেহেরপুরে ১১০ দশমিক ২ শতাংশ, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ১০৪ দশমিক ৬ শতাংশ এবং নারায়ণগঞ্জে ১০২ দশমিক ৫ শতাংশ প্রশাসনিক কাভারেজ নথিভুক্ত হয়েছে।

আইপিএইচএনের নথিতে নগর মাইক্রোপ্ল্যানিংয়ের দুর্বলতা, পরিবারভিত্তিক সচেতনতার ঘাটতি এবং বস্তি, উচ্চভবন ও ভাসমান জনগোষ্ঠীর শিশুদের শনাক্তে সীমাবদ্ধতাকে শহরে কম কাভারেজের সম্ভাব্য কারণ বলা হয়েছে।

জাতীয় কাভারেজ বাড়াতে পরে প্রায় ৯০ হাজার শিশুকে আলাদাভাবে শনাক্ত করা হয়েছিল।

আইপিএইচএনের পরিচালক মোহাম্মদ ইউনুস আলী বলেছেন, নির্ধারিত তাপমাত্রায় রাখা অবশিষ্ট ক্যাপসুল ছয় মাস পরের ক্যাম্পেইনে ব্যবহার করা হবে।

তিনি বলেন, কোনো শিশু অসুস্থ থাকলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনের ভিত্তিতে ক্যাপসুল দেওয়া যেতে পারে।

ডুমনির এক অভিভাবক শফিক আহমেদ দাবি করেছেন, ক্যাম্পেইনের খবর পরে জানার পর কেন্দ্রে গিয়ে তিনি স্বাস্থ্যকর্মী পাননি এবং তাঁর চার বছরের সন্তান ক্যাপসুল পায়নি।

জনস্বাস্থ্যবিদ মুশতাক হোসেনের মতে, শিশুদের তালিকা প্রস্তুত ও কার্যকর মাইক্রোপ্ল্যানিং ছাড়া বাদ পড়া শিশুর সংখ্যা বাড়তে পারে।