জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে ৫ আগস্ট বিক্ষোভ মিছিল করে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
তাদের প্রথম দাবিতে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ দ্রুত সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করে বাস্তবায়ন এবং টেন্ডারবাজি ও দুর্নীতি বন্ধের কথা বলা হয়েছে।
অন্য দাবিগুলো হলো ক্যাম্পাসে অছাত্রদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
ছয় মাসের মধ্যে অস্থায়ী আবাসন নির্মাণ করে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ শিক্ষার্থীর থাকার ব্যবস্থা এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিও জানানো হয়।
সংগঠনটির নেতারা ৪ আগস্টের হামলায় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ করেন।
সেদিন দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ, কেরানীগঞ্জে অস্থায়ী আবাসন, চিকিৎসাসেবাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের সময় হামলার ঘটনা ঘটে বলে বর্ণনা করা হয়েছে।
ঘটনায় ছাত্রশক্তির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, ছাত্রশিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি, জকসুর ভিপিসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক আহত হন বলে বলা হয়েছে।
ছাত্রশক্তির সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস শেখ হামলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রদলকে যৌথভাবে দায়ী করেন।
শাখা সভাপতি শাহিন মিয়া প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন এবং সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির দাবি করেছেন।
বক্তারা হামলার পর ক্যাম্পাস বন্ধের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেন।
হামলার অভিযোগ, জড়িতদের পরিচয় এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে কোনো তদন্তের ফল বা অভিযুক্ত পক্ষের প্রতিক্রিয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।