ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা খাতে ৩২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে এ খাতে মূল বরাদ্দ ছিল ৯০ কোটি ২৩ লাখ টাকা এবং সংশোধিত বরাদ্দ ছিল ৮০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।
ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে নতুনভাবে সাজিয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে শিফটভিত্তিক কাজ চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে।
নির্দিষ্ট সড়কে পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে এবং তদারকিতে প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদা মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
নাগরিকদের অভিযোগ, মতামত ও পরামর্শ গ্রহণের জন্য ‘ক্লিন কেয়ার’ মোবাইল অ্যাপ ও হটলাইন চালু করা হয়েছে বলে ডিএসসিসি জানিয়েছে।
নাগরিক অংশগ্রহণ বাড়াতে প্রতি মাসের প্রথম শনিবার ‘ক্লিনিং ডে’ পালনের কথাও জানিয়েছে সংস্থাটি।
মতিঝিলে পরীক্ষামূলকভাবে সিটি ইন্সপেক্টর নিয়োগ দিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করা হচ্ছে বলে আবদুস সালাম জানান।
ডিএসসিসি বলেছে, ছয়টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন উন্নত স্যানিটেশন সুবিধাসহ পরিবেশবান্ধব স্থাপনায় রূপান্তর করা হয়েছে।
মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে মাটির আচ্ছাদন দেওয়া, রিসোর্স সার্কুলেশন পার্কে রূপান্তর এবং কম্পোস্ট প্ল্যান্ট চালুর কথাও সংস্থাটি জানিয়েছে।
জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় ৭৫ ওয়ার্ডে ৩৩টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে প্রশাসক জানান।
ভারী বৃষ্টির সময় পানি সরাতে পোর্টেবল পাম্প ও সাকার মেশিন মোতায়েন এবং ওয়ার্ডভিত্তিক জরুরি সাড়াদান দল গঠনের কথা বলা হয়েছে।
স্থায়ী পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য ডিএসসিসি এলাকায় আটটি নতুন আউটলেট নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সায়েন্স ল্যাব-নিউ মার্কেট থেকে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েট-শিক্ষা বোর্ড থেকে সোয়ারীঘাট পর্যন্ত দুটি আউটলেটের জন্য সরকারি অনুমোদন মিলেছে বলে আবদুস সালাম জানান।
ডিএসসিসির ৫৭ ওয়ার্ডের জন্য একটি সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান তৈরির দায়িত্ব ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিংকে দেওয়া হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।