ফোন ব্যবহারে সীমা আনার জন্য দৈনিক স্ক্রিন টাইম ও পৃথক অ্যাপে ব্যয় হওয়া সময় আগে দেখে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ফোনের ঘন ঘন অ্যালার্ট বন্ধ বা সীমিত করলে বারবার ডিভাইস দেখার তাগিদ কমতে পারে—এমন একটি ব্যবহারিক কৌশল তুলে ধরা হয়েছে।

সকালে ফোন দেখার অভ্যাস এড়াতে ফোনের অ্যালার্মের বদলে আলাদা অ্যালার্ম ঘড়ি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।

রাতে ফোন অন্য ঘরে চার্জে রাখা এবং সকালে ফোন দেখার একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করাও প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে।

নামহীন কিছু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ হিসেবে তিন দিনের জন্য ফোন ব্যবহার বন্ধ রেখে পরে শুধু কল ও বার্তা দিয়ে ধীরে ধীরে ব্যবহার শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

দীর্ঘ বিরতি সম্ভব না হলে প্রতিদিন রাতের খাবারের আগে এক ঘণ্টা বা সপ্তাহের নির্দিষ্ট একটি সময়কে ফোন-মুক্ত রাখার বিকল্পও দেওয়া হয়েছে।

অনেক স্মার্টফোনে নির্দিষ্ট সময়ে কল ও সতর্কবার্তাসহ কিছু ফিচার সীমিত করার সেটিং থাকে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফোনের বদলে হাঁটা, বই পড়া, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা বা পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর মতো অফলাইন কাজ বেছে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মনোবিজ্ঞানীদের নামে বলা হয়েছে, এক ঘণ্টার মতো ছোট ফোন-বিরতি মানসিক চাপ কমাতে এবং মনোযোগ বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

তবে এসব সম্ভাব্য মানসিক স্বাস্থ্যগত উপকারের পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট গবেষণা, বিশেষজ্ঞের পরিচয় বা ব্যক্তিভেদে প্রযোজ্যতার তথ্য দেওয়া হয়নি।