যশোরের চৌগাছায় এক কলেজছাত্রীর করা ধর্ষণ মামলায় চৌগাছা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের নেতা আরাফাত হোসেন রাব্বিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

১ আগস্ট রাতে ওই ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে চৌগাছা থানায় মামলা করেন।

চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ বলেন, মামলা হওয়ার পর রাব্বিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র করার সহায়তার কথা বলে ছাত্রীকে মোটরসাইকেলে চৌগাছা শহরে নেওয়ার পর ধর্ষণ করা হয়।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ঘটনাটি কাউকে না বলতে ছাত্রীকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

মামুনুর রশীদ বলেন, ছাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে প্রতিবেদন দেবে।

২ আগস্ট যশোরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রাব্বিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে আদালত পুলিশের পরিদর্শক ইমদাদুল হক নিশ্চিত করেছেন।

যশোর জেলা ছাত্রদল বলেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে রাব্বিকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. কামরুজ্জামান বাপ্পি বলেন, ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

চৌগাছা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ইমন হাসান অভিযোগটিকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

ইমন হাসানের দাবি, দুই পরিবারের দীর্ঘদিনের বিরোধ ও চলমান একটি মামলার প্রেক্ষাপটে এই অভিযোগ করা হয়েছে।