সেউতায় ব্যাপক সীমান্ত পারাপারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগামী মঙ্গলবার জরুরি বৈঠক ডেকেছে।

মরক্কো থেকে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ স্পেন-নিয়ন্ত্রিত এই ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে বলে জানানো হয়েছে।

এই ঘটনার পর ইইউর বহিঃসীমান্ত সুরক্ষা এবং সদস্য দেশগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপের প্রশ্ন সামনে এসেছে।

ইইউ নেতৃত্বের কাছে পাঠানো যৌথ চিঠিতে সীমান্ত পারাপার ইউরোপের অভিবাসননীতি ও সীমান্ত সুরক্ষার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

চিঠিটিতে ২২টি সদস্য দেশের প্রতিনিধিত্ব ছিল, নাকি ২২ জন স্বাক্ষরকারী ছিলেন—দুই বিবরণে এ বিষয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে।

ইতালি স্পেনের সঙ্গে শেনজেন ব্যবস্থার প্রয়োগ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে; ফিনল্যান্ড ও ডেনমার্ক এ পদক্ষেপে সমর্থন জানিয়েছে।

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এক মাসের জন্য এই স্থগিতাদেশের ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ কয়েকটি ইউরোপীয় সরকারের অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সানচেজের ভাষ্য, স্পেন ৪৮ ঘণ্টার কম সময়ে সীমান্তের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে ইউরোপমুখী অনিয়মিত প্রবেশ ঠেকিয়েছে।

স্পেন সরকার বলেছে, ৩০ জুলাই আসা অধিকাংশ মানুষ ইতোমধ্যে ফিরে গেছেন বা সেউতা ছেড়েছেন।

স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মার্লাস্কা বলেছেন, পরিস্থিতি প্রায় স্বাভাবিক হচ্ছে এবং জলপথে অনিয়মিত প্রবেশ ঠেকাতে একটি প্রতিবন্ধক নির্মাণ করা হচ্ছে।

সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টার ঘটনায় অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের হিসাব উদ্ধৃত করে জানানো হয়েছে।

মৃতদের পরিচয়, মৃত্যুর পূর্ণ পরিস্থিতি এবং জরুরি বৈঠকে কী সিদ্ধান্ত হবে, সে বিষয়ে তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।