চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম দাবি করেছেন, প্রাথমিক তদন্তে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদকে র্যাব-১ কার্যালয়ের কথিত টিএফআই সেলে আটকে রাখার তথ্য পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, পরে তাঁকে ভারতে নেওয়া হয়েছিল বলেও প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
১ আগস্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক, প্রসিকিউশন দল ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রাজধানীর উত্তরা এলাকায় র্যাব-১ কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, তদন্তে পাওয়া তথ্য ও ভুক্তভোগীদের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে একটি নির্দিষ্ট কক্ষ শনাক্ত করা হয়েছে।
তাঁর ভাষ্য, ভবনের ভেতরে ছোট-বড় মিলিয়ে ২২টি কক্ষ পাওয়া গেছে।
ওই কক্ষগুলোতে দীর্ঘ সময় মানুষকে আটক ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে বলে চিফ প্রসিকিউটর জানান।
তিনি বলেন, কিছু ভুক্তভোগীর বর্ণনায় একটি নিচতলার কক্ষকে ‘ডেথ সেল’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, টিএফআই নামে কোনো সেল নেই এবং র্যাব এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়।
চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেন, ভবনের কিছু অংশে নতুন দেয়াল তুলে আগের কাঠামো আড়াল করার আলামত পাওয়া গেছে।
তিনি বলেন, প্রমাণ নষ্ট বা কক্ষের অস্তিত্ব গোপনের সঙ্গে কারা জড়িত ছিলেন, তা তদন্ত করা হচ্ছে।
পরিদর্শনের পর্যবেক্ষণ একটি মেমোরেন্ডামে নথিভুক্ত হয়ে মামলার বিচারিক নথির অংশ হবে বলে তিনি জানান।
চিফ প্রসিকিউটরের আবেদনের পর ট্রাইব্যুনাল ২১ জুলাই টিএফআই সেল পরিদর্শনের অনুমতি দেয়।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, ট্রাইব্যুনাল ঢাকা সেনানিবাসের ভেতরে জেআইসি নামে কথিত আরেকটি আটককেন্দ্র পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছেন।