মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত সামরিক পদক্ষেপ বাতিলের কথা বলেছেন।
তিনি বলেন, দ্রুত একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর শর্তেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ট্রাম্প সম্ভাব্য চুক্তির দুটি শর্ত হিসেবে হরমুজ প্রণালি সব ধরনের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখা এবং ইরানের পারমাণবিক হুমকির অবসানের কথা উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ও ইরান সম্ভাব্য চুক্তির একটি কাঠামো তৈরির পর যুক্তরাষ্ট্রকে সামরিক পদক্ষেপ থেকে সরে আসতে অনুরোধ করেছিল।
ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের বিষয়ে ইরান বা ইসরায়েল সরকারের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ার উল্লেখ নেই।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহানের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপ করেন।
আরাগচি বলেন, ইরানের সার্বভৌমত্ব বা জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার জবাবে তেহরান দৃঢ় ও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের হামলায় আঞ্চলিক কোনো দেশ অংশ নিলে ইরান সমান প্রতিক্রিয়া জানাবে।
আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডে আঞ্চলিক নিরাপত্তাহীনতা বাড়ার আশঙ্কা নিয়েও আলোচনা করেছেন বলে জানান।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিযোগ করেছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল, নতুন নিষেধাজ্ঞা, নৌ অবরোধ ও সামরিক তৎপরতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির ভিত্তি দুর্বল করছে।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, মার্কিন আলোচকেরা ইরানের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেন বলে তিনি মনে করেন; তবে ইরানের প্রতি তাঁর আস্থা কমছে এবং প্রয়োজন হলে আবার হামলার কথাও বলেন।
কুয়েতের সেনাবাহিনী দাবি করেছে, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ইরানি ড্রোন তারা ভূপাতিত করেছে।