এয়ার কমডোর সাইফুর রহমান বকাউল বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান—স্পারসোর চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
তিনি বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কর্মকর্তা এবং এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন।
স্পারসোর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে মহাকাশ প্রযুক্তির ব্যবহার ১৯৬৮ সালে একটি অটোমেটিক পিকচার ট্রান্সমিশন গ্রাউন্ড স্টেশন স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়।
১৯৮০ সালে বাংলাদেশ অ্যাটমিক এনার্জি কমিশনের মহাকাশ ও বায়ুমণ্ডলীয় গবেষণা কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ ল্যান্ডসেট প্রোগ্রাম একীভূত করে স্পারসো গঠন করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৫ সালে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্থানান্তরিত হয়।
স্পারসোর কার্যক্রম ১৬টি কারিগরি বিভাগ, পাঁচটি সহায়ক শাখা এবং সাভারের একটি আঞ্চলিক দূর অনুধাবন কেন্দ্রের সমন্বয়ে পরিচালিত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
সংস্থাটির জনবল, গবেষণা অবকাঠামো এবং কয়েকটি কারিগরি বিভাগের কার্যকারিতা সীমিত বলে লেখাটিতে দাবি করা হয়েছে।
লেখাটিতে আরও বলা হয়েছে, দেশের একমাত্র স্যাটেলাইট গ্রাউন্ড স্টেশনটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে এবং গবেষণার জন্য বিদেশি স্যাটেলাইটের উপাত্ত ব্যবহার করা হয়।
স্পারসোর ঘোষিত লক্ষ্য মহাকাশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান অর্জন এবং শান্তিপূর্ণ প্রয়োগের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখা।
নতুন চেয়ারম্যানের নিয়োগকে প্রতিষ্ঠানটির কারিগরি নেতৃত্ব জোরদারের একটি পদক্ষেপ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তবে নিয়োগের সরকারি আদেশ বা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ প্রমাণসেটে নেই।