যশোরের মণিরামপুরে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী নিয়োগ পরীক্ষা ঘিরে দেওয়া এক বক্তব্যে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টু জামায়াতে ইসলামীর কর্মীকে পরীক্ষার মাঠে পেলে হাত-পা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দেন।

বক্তব্যটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা হয়।

উপজেলা বিএনপির ১৭টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়ার্ডে যৌথ সভার অংশ হিসেবে শ্যামকুড় ইউনিয়নে ২৫ জুলাই ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল বলে জানানো হয়েছে।

তবে সভার তারিখ ২৫ জুলাই বলা হলেও উদ্ধৃত বক্তব্যে পরীক্ষা ‘আগামীকাল’ শুরু হওয়ার কথা আছে; প্রশাসন পরীক্ষার তারিখ জানিয়েছে ২৯ জুলাই, ফলে বক্তব্যের সুনির্দিষ্ট দিনটি স্পষ্ট নয়।

মিন্টু বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরূপ মন্তব্য ও পোস্ট করছিলেন; এর প্রতিক্রিয়ায় তিনি এ কথা বলেছেন।

তিনি দাবি করেন, বক্তব্যটি রাজনৈতিক মঞ্চের পাল্টা রাজনৈতিক মন্তব্য ছিল, বাস্তব কোনো নির্দেশনা নয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সম্রাট হোসেন জানান, ২৯ জুলাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার পদের পরীক্ষা হয়েছে।

তাঁর ভাষ্য, পরীক্ষায় তথ্য সংগ্রহকারী পদে ১ হাজার ৫৭২ জন এবং সুপারভাইজার পদে ১৯৮ জন অংশ নেন।

সম্রাট হোসেন বলেন, পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে এবং কাউকে বাধা দেওয়ার কোনো অভিযোগ প্রশাসনের কাছে আসেনি।

মিন্টুও দাবি করেন, পরীক্ষায় প্রার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয় বা ধর্ম বিবেচনা করা হয়নি।