রাজধানীর কলাবাগানের কাঁঠালবাগান এলাকায় একটি বাসায় এক তরুণী ও তাঁর মা নিহত হয়েছেন।
ঘটনার সময় নিয়ে ভিন্ন তথ্য রয়েছে—কলাবাগান থানা সকাল ৯টার কথা বলেছে, আর নিহতের স্বজন ফারুক হোসেনের বর্ণনায় সময়টি সকাল ৮টার দিকে।
বাসার নম্বরও ভিন্নভাবে উল্লেখ করা হয়েছে: পুলিশ ৫২ নম্বর এবং ফারুক হোসেন ৫২/২ নম্বর বাড়ির কথা বলেছেন।
কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফজলে আশিক এবং নিহতের স্বজন ফারুক হোসেনের ভাষ্য, শিপনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ির বিরোধের পর ধারালো অস্ত্রের আঘাতের ঘটনা ঘটে।
নিহত তরুণীর পরিচয় নিয়ে অমিল রয়েছে: ফজলে আশিক তাঁকে রাত্রি, বয়স ২০, হিসেবে উল্লেখ করেছেন; ফারুক হোসেন তাঁকে তাঁর মেয়ে ফারজানা আক্তার, বয়স ২১, বলেছেন।
নিহত মায়ের নাম উভয় পক্ষই ফিরোজা বেগম বলেছেন, তবে তাঁর বয়স এক তথ্যে ৩৫ এবং অন্য তথ্যে ৩৪ বছর।
ফজলে আশিক বলেন, তরুণী ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং ফিরোজা বেগমকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, ফিরোজা বেগমের মরদেহ জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে।
ঘটনার পর শিপনের অবস্থান নিয়েও ভিন্ন বর্ণনা আছে: ফজলে আশিক বলেন, তিনি নিজে থানায় হাজির হন; ফারুক হোসেন বলেন, শিপন এক বছর বয়সী শিশুপুত্রকে নিয়ে চলে যান।
ফজলে আশিকের ভাষ্য, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিপন জানিয়েছেন যে তাঁর সঙ্গে রাত্রির বিচ্ছেদ হয়েছিল, তবে তাঁরা একই বাসায় থাকতেন।
ফারুক হোসেন বলেন, পরিবারের গ্রামে যাওয়া এবং একটি বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে শিপন ও তাঁর মেয়ের মধ্যে আগের বিরোধ ছিল।
অভিযোগগুলোর তদন্ত, সম্ভাব্য মামলা এবং শিশুটির অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য দেওয়া হয়নি।