টেকনাফ-কক্সবাজার সড়কে একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ৫৭ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
২ আগস্ট দুপুরে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারগামী বাসটি দমদমিয়া এলাকার ১৪ নম্বর সেতুর কাছে আটকা পড়ে।
পুলিশের ভাষ্য, সড়কে গাছের গুঁড়ি ও পেরেকযুক্ত কাঠ ফেলে বাসটির গতি রোধ করা হয়।
পরে চারজন বাসে উঠে মোবাইল আর্থিকসেবা প্রতিষ্ঠানের দুই বিক্রয় প্রতিনিধির কাছ থেকে ৫৭ লাখ টাকা নিয়ে যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, বাধা দেওয়ার সময় ওই দুই প্রতিনিধিকে ছুরিকাঘাত ও মারধর করা হয়।
ঘटनাটি শেষ হতে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় লেগেছিল বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
তিন বিক্রয় প্রতিনিধির কাছে মোট ৮২ লাখ টাকা ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
এর মধ্যে একরাম হোছেনের কাছ থেকে ৩৫ লাখ এবং আল আরমানের কাছ থেকে ২২ লাখ টাকা নেওয়া হয়; আবদুল করিমের কাছে থাকা ২৫ লাখ টাকা অক্ষত ছিল।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে বাসটিকে অনুসরণ করা একটি অটোরিকশায় বোরকাপরা এক নারীর উপস্থিতি এবং তাঁর সম্ভাব্য ভূমকার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশের ধারণা, হামলাকারীরা আগে থেকেই টাকার ব্যাগ বহনকারী দুই প্রতিনিধির বিষয়ে তথ্য পেয়ে থাকতে পারে; বাসের চালক, সহকারী বা কোনো যাত্রীর সম্পৃক্ততা ছিল কি না, তাও তদন্তাধীন।
৩ আগস্ট রাতে হ্নীলার লেদা এলাকা থেকে আকতার হোসেন ও নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ তাদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়েছে।
লুট হওয়া টাকা এখনো উদ্ধার হয়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেছেন, অর্থ উদ্ধার এবং অন্য জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।