বগুড়ায় রিপন ফকিরের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সব আসামির অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
মামলাটি ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর করেন রিপন ফকিরের স্ত্রী মাবিয়া বেগম।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বগুড়া শহরের ঝাউতলা এলাকায় মিছিলে অংশ নেওয়ার সময় গুলিতে রিপন ফকির নিহত হন।
মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১০৪ জনকে আসামি করা হয়েছিল।
তদন্তে ২২ জনের বক্তব্য নেওয়া হয় এবং ঝাউতলা এলাকার তিন দোকানকর্মী সেখানে এমন কোনো ঘটনা দেখেননি বলে জানান।
বাদীসহ সাতজন সাক্ষী জবানবন্দিতে বলেন, ৫ আগস্ট গোদারপাড়া এলাকায় পাউরুটি খাওয়ার সময় রিপন ফকির অসুস্থ হয়ে পড়েন।
তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়; ওই দোকানিও পাউরুটি খাওয়ার পর অসুস্থ হওয়ার কথা বলেছেন।
মাবিয়া বেগম বলেন, গ্রামের কয়েকজন শহীদের স্বীকৃতি ও সরকারি অনুদান পাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলায় তিনি থানায় গিয়ে কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন।
তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফেরদৌস আলী বলেন, এজাহারে তথ্যগত ত্রুটি ছিল এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত প্রতিবেদনে অব্যাহতির সুপারিশ করা হলেও এ বিষয়ে আদালতের পরবর্তী সিদ্ধান্তের তথ্য জানা যায়নি।