পার্বত্য চট্টগ্রামে ‘উপজাতি’, ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ ও ‘আদিবাসী’ পরিচয় নিয়ে বিতর্কের বিষয়টি আবার আলোচনায় এসেছে।
১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ভাষা, পরবর্তী আইন এবং আঞ্চলিক প্রতিনিধিত্বকে এই বিতর্কের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে।
একটি মতামতধর্মী উপস্থাপনায় জনসংখ্যা, পরিষদের সদস্যবিন্যাস ও সরকারি প্রকল্পে নিয়োগের কয়েকটি পরিসংখ্যান দিয়ে প্রতিনিধিত্বে বৈষম্যের দাবি করা হয়েছে।
একই উপস্থাপনায় কয়েকটি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবৈধ অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতার অভিযোগও করা হয়েছে।
তবে এসব জনমিতিক হিসাব, আইনগত ব্যাখ্যা ও নিরাপত্তা-সংক্রান্ত অভিযোগের পক্ষে প্রাথমিক নথি বা সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এই প্রমাণসেটে নেই।
প্রমাণসেটে থাকা অন্য উপাদানটি ভিন্ন বিষয় নিয়ে রচিত হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম-সংক্রান্ত দাবিগুলোর স্বাধীন সমর্থন পাওয়া যায় না।
পরিচয় ও অধিকারের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে প্রকাশের আগে চুক্তির মূল পাঠ, প্রযোজ্য আইন, আদালতের বর্তমান অবস্থান, সরকারি জনশুমারি এবং সংশ্লিষ্ট সম্প্রদায়ের মতামত যাচাই প্রয়োজন।