ইসলামী শিক্ষায় এতিমের সম্পদ সংরক্ষণ এবং বিধবা ও অসহায় মানুষের সহায়তার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সুরা নিসার ২ নম্বর আয়াতে এতিমদের সম্পদ তাদের বুঝিয়ে দেওয়া এবং তা অন্যায়ভাবে ভোগ না করার নির্দেশের উল্লেখ রয়েছে।
লেখাটির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, এতিমের সম্পদ নিজের সম্পদের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যক্তিগতভাবে গ্রাস করা নিষিদ্ধ।
তবে এতিমের স্বার্থে ব্যবসায় সম্পদ ব্যবহার করা হলে লাভ আনুপাতিকভাবে ভাগ করার কথা বলা হয়েছে।
উপার্জনক্ষম অভিভাবক না থাকলে এতিম ও বিধবাকে ধারাবাহিক দান-সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ব্যক্তিগত অনুদানের পাশাপাশি জাকাত ও ফিতরার মাধ্যমে তাদের পাশে দাঁড়ানোর কথাও বলা হয়েছে।
বুখারি ও মুসলিমে উদ্ধৃত হাদিসে বিধবা ও অসহায় মানুষের তত্ত্বাবধানকে উচ্চ মর্যাদার কাজ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।
বুখারির একটি উদ্ধৃতিতে এতিমের অভিভাবকের মর্যাদার কথা এসেছে।
তিরমিজি ও মুসনাদে আহমদের উদ্ধৃতি দিয়ে তত্ত্বাবধানে থাকা এতিম শিশুর সঙ্গে ভালো আচরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
ইবনে মাজাহর উদ্ধৃতিতে এতিমের প্রতি সদাচরণ করা পরিবারকে উত্তম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।